তেলেনাপোতা আবিষ্কার’ গল্পে গল্পকথক বা নায়ক ও তার দুই বন্ধু তেলেনাপোতা গ্রামে মৎস্য শিকার এবং ছুটি কাটাতে আসে। পরের দিন দুপুরে নায়কের বন্ধু মণিদার দূরসম্পর্কের আত্মীয় যামিনীর বাড়িতে আহারাদি শেষ করে, যামিনী ও যামিনীর মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তারা মহানগরে নিজের বাড়ির উদ্দেশে গোরুর গাড়ি চেপে যাত্রা করে।
যামিনীর বাড়ি থেকে কথক যখন গোরুর গাড়িতে চাপে, সেই মুহূর্তে যামিনী কথকের দিকে করুণ চোখে তাকিয়ে কথকের ছিপ পড়ে থাকার কথা জানায়। কথক বলে যে, এবার মাছ ধরতে না পারলেও পরের বার মাছ আর ফাঁকি দিতে পারবে না।
তখন যামিনী তার চোখের দৃষ্টির মাধ্যমে নায়কের প্রতি এক দুর্বলতা, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে-যা নায়কের হৃদয় স্পর্শ করে। এরপর গল্পের নায়ক ও তার দুই বন্ধু নিজের বাড়ির উদ্দেশে যাত্রা করে।
গল্পকথক শহরে নিজের বাড়িতে ফিরে এসে ম্যালেরিয়া জ্বরে আক্রান্ত হয়। দীর্ঘ রোগভোগের পর কথক আবার সুস্থ হয়ে ওঠে এবং ইতিমধ্যে কথকের দেহ ও মনের অনেক কিছু ধোয়া-মোছা হয়ে যায়। গল্পকথকের মন থেকে তেলেনাপোতা এবং যামিনী-যামিনীর মায়ের সম্পর্কে সমস্ত কথা মুছে যায়। তেলেনাপোতার সমস্ত ঘটনা, স্মৃতি কথকের কাছে স্বপ্ন বলে মনে হয়।









