বাংলা

শিক্ষা কি? শিক্ষা কত প্রকার কি কি?

শিক্ষা কি? শিক্ষা কত প্রকার কি কি?

শিক্ষা কি (What is education) বা শিক্ষা কাকে বলে আজকের আর্টিকেলে আমরা এই শিক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। শিক্ষা সম্পর্কে যারাই কথা বলেছেন তারা সবাই নিজের মতো করে ভেবে নিয়েছে শিক্ষাকে। বলা যায় তারা নিজেদের মতো করে সংজ্ঞা দিয়েছেন। তাই যাদের হাত ধরে শিক্ষা এবং শিক্ষাব্যবস্থা আজ এই পর্যন্ত এসেছে সেই সব শিক্ষাবিদ ও মনিষীদের লেখা কিছু…

পরিবেশ সুরক্ষায় ছাত্রসমাজের ভূমিকা

শস্যশ্যামল দেশ এই ভারতবর্ষ। বাণিজ্যিক বাজার ও কাঁচামালের প্রভৃত সম্ভাবনার ক্ষেত্র ভারতবর্ষে থাকায় ভারতবর্ষ বিদেশিদের দ্বারা বারবার লুণ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বায়নের কুফলের ফলে সেই লুণ্ঠনের পরিমাণ আরো বেড়েছে। ভারতের যে পরিবেশ ও সংস্কৃতি বিশ্বের আঙিনায় নিজেকে প্রমাণ করে নিজেদের গৌরব প্রতিষ্ঠা করেছে, সেই পরিবেশ ও সংস্কৃতি আজ লুণ্ঠিত।আমাদের দেশের নিমগাছ, হলুদ, বাসমতি চাল, অবিশ্বাস্য হলেও…

বাংলা উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বাংলা উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

গল্পের প্রতি মানুষের চিরকালের আকর্ষণ, তা সে প্রাগৈতিহাসিক গুহাবাসী মানুষ হোক আর আধুনিককালের কৃতবিদ্য মানুষই হোক। প্রাচীনতম যুগে অরণ্যচারী বর্বর মানুষ সায়াহ্নে যখন আস্তানায় ফিরে আসত তারা তখন নৃত্যগীতে মত্ত হয়ে উঠত। সে গীতের বিষয়বস্তুর মধ্যে হয়তো কোনো শিকারকাহিনি লুকিয়ে থাকত কিংবা কোনো সংঘর্ষ।সেদিন থেকেই মানুষ নিজের জীবনকে অবলম্বন করে গল্প তৈরি করেছে, তার রসে…

বিজ্ঞানের ভালোমন্দ রচনা | বিজ্ঞানের সুফল ও কুফল রচনা

ভূমিকাআধুনিক মানবসভ্যতার প্রধান স্তম্ভ হল বিজ্ঞান। বিজ্ঞানের অবদান ব্যতিরেকে আমাদের বর্তমান জীবন যেন গতিহীন, নিস্পন্দ। এই কারণেই বর্তমান যুগকে বলা হয় বিজ্ঞানের যুগ। প্রত্যুষে ঘুম ভাঙা থেকে রাত্রিতে শয্যা গ্রহণ পর্যন্ত, মানব শিশুর জন্ম থেকে দেহান্তের পর দেহ সৎকার পর্যন্ত প্রতি পদক্ষেপে বিজ্ঞানের কথা চিন্তা করলে বিস্মিত হতে হয়। আদিম যুগ থেকে প্রকৃতির অকৃপণ দান…

বিজ্ঞানের ভালো মন্দ রচনা

বিজ্ঞানের ভালো মন্দ রচনা

ভূমিকাআরণ্যক মানুষ নিজ কল্যাণী বুদ্ধিতে সমাজে এসে সংসার বেঁধেছে। সেই কল্যাণপ্রসূ বুদ্ধিতেই সে জগতের অপার রহস্যের জাল ছিন্ন করে তাকে প্রয়োজন অনুসারে নিজের আয়ত্তে এনেছে। মানুষ যত বিজ্ঞানবুদ্ধিতে বলীয়ান হয়েছে, তত সমৃদ্ধ হয়েছে তার জীবনযাত্রা। বিজ্ঞান আমাদের জীবনে এনেছে দুর্বার গতি। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার মানবসভ্যতাকে আজ মহান উচ্চতায় স্থাপন করেছে। যেমন আলোর বিপরীতে থাকে অন্ধকার…

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান রচনা

ভূমিকামানুষের যুক্তিবোধ ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা থেকেই বিজ্ঞানের জয়যাত্রার শুভ সূচনা হয়। কখনও সে একাজে সফল হয়েছে আবার কখনও বা সে কুসংস্কারের অন্ধকারে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছে। যখন মানুষ এই জয়-পরাজয়ের দ্বান্দ্বিকতায় জয় লাভ করেছে তখনই তার চেতনার আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। যুক্তিবোধের ডানায় ভর করে সে পাড়ি দিয়েছে বিজ্ঞানের আশ্চর্য জগতে।উদ্ভ্রান্ত সেই আদিম যুগে মানুষ যেদিন চকমকি পাথরে…

ফলিত ভাষাবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখাগুলির উল্লেখ যে-কোনো একটি শাখার আলোচনা করো

ভাষাবিজ্ঞানের মূল আলোচনার বিষয় হল মানুষের ভাষা এবং সেই ভাষার সঙ্গে মানবজীবনের বিভিন্ন দিকের পারস্পরিক সম্পর্ক। এই ভাষাবিজ্ঞানের প্রধান দুই শাখা হল- (১) প্রধান ভাষাবিজ্ঞান এবং (২) ফলিত ভাষাবিজ্ঞান।ভাষার সঙ্গে সমাজের সম্পর্ক এবং ভাষার সঙ্গে অন্যান্য বিদ্যার সম্পর্ক ভাষাবিজ্ঞানের যে-শাখায় বিচারবিশ্লেষণ করা হয়, তাই হল ফলিত ভাষাবিজ্ঞান। ফলিত ভাষাবিজ্ঞানের ৬টি শাখা, যথা- (২.১) সমাজভাষাবিজ্ঞান, (২.২)…

অবিভাজ্য ধ্বনি কাকে বলে? দুটি অবিভাজ্য ধ্বনির পরিচয় দাও

বাংলা ভাষায় এমন কিছু ধ্বনি উপাদান আছে যেগুলিকে বিভাজ্য ধ্বনির মতো কৃত্রিমভাবে খণ্ড করা যায় না। কেননা এইরকম উপাদানগুলি কোনো বিভাজ্য ধ্বনির অংশ নয়, বরং এগুলি একাধিক ধ্বনিখণ্ড জুড়ে অবস্থান করে। এগুলিকে অবিভাজ্য ধ্বনি বলে।নীচে কয়েকটি অবিভাজ্য ধ্বনি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হল-শ্বাসাঘাতএকাধিক দলযুক্ত শব্দের কোনো একটি দলকে অপেক্ষাকৃত বেশি জোর দিয়ে উচ্চারণ করাকে বলে…

রূপমূল কাকে বলে? উদাহরণসহ ‘স্বাধীন’ ও ‘পরাধীন’ রূপমূল-এর পরিচয় দাও

ধ্বনির দ্বারা গঠিত ক্ষুদ্রতম অর্থবোধক ভাষাতাত্ত্বিক উপাদানকে রূপমূল বলে। অর্থাৎ রূপমূলগুলি ক্ষুদ্রতম আকারের বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক উপাদান এবং এগুলির অর্থগত তাৎপর্য আছে। যেমন: 'জাম' একটি রূপমূল, এর অর্থ আছে কিন্তু একে ভাঙলে 'জা' এবং 'ম' স্বতন্ত্রভাবে এদের কোনো অর্থ নেই।রূপমূলকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়- (১) মুক্ত বা স্বাধীন রূপমূল, (২) বদ্ধ বা পরাধীন রূপমূল।[১] মুক্ত…

উদাহরণসহ ধ্বনিমূল ও সহধ্বনির সম্পর্ক নির্ণয় করো

ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় হল ধ্বনিমূল ও সহধ্বনি। এই ধ্বনিমূল ও সহধ্বনির সম্পর্ককে তিনভাগে ভাগ করা যায়-[১] ধ্বনিমূলগুলি যদি হয় এক-একটি পরিবার, সহধ্বনিগুলি তবে সেই পরিবারের সদস্য। একই পরিবারের সদস্য হতে গেলে দুটি শর্তপূরণ করতে হয়। প্রথমত, তাদের মধ্যে উচ্চারণগত সাদৃশ্য থাকা দরকার। দ্বিতীয়ত, সহধ্বনিগুলি একটির বদলে অন্যটি উচ্চারিত হবে না অর্থাৎ উচ্চারণগত অবস্থানের দিক…

Next