ভূগোল

রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎসগুলো কী কী? বিস্তারিত আলোচনা

রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎসগুলো কী কী? বিস্তারিত আলোচনা

রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎসগুলো কী কী? বিস্তারিত আলোচনা রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস আমরা সবাই জানি, একটি দেশ চালাতে অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। রাস্তাঘাট তৈরি করা, স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল চালানো, সরকারি কর্মচারীদের বেতন দেওয়া, দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করা – এই সব কিছুর জন্যই অর্থের দরকার। কিন্তু এই টাকাটা আসে কোথা থেকে? এই টাকার মূল যোগানকেই বলা হয় রাজস্ব…

ঊষা ও গোধূলি কাকে বলে? বিস্তারিত আলোচনা

ঊষা ও গোধূলি কাকে বলে? বিস্তারিত আলোচনা

ঊষা ও গোধূলি কাকে বলে? বিস্তারিত আলোচনা ঊষা ও গোধূলি কাকে বলে? প্রকৃতির দুটি মনোমুগ্ধকর সময় হলো ঊষা এবং গোধূলি। এই দুটি সময় আকাশ নানা রঙে সেজে ওঠে এবং পরিবেশে এক শান্ত ও স্নিগ্ধ ভাব বিরাজ করে। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না ঊষা ও গোধূলি আসলে দিনের কোন সময়টাকে বলে বা এদের মধ্যে পার্থক্য কী।…

রবিমার্গ কাকে বলে? সূর্যের আপাত বার্ষিক গতি

বন্ধুরা, তোমরা কি কখনো খেয়াল করেছ যে সূর্য প্রতিদিন ঠিক একই জায়গা থেকে ওঠে না? কখনো একটু উত্তর দিক ঘেঁষে, আবার কখনো একটু দক্ষিণ দিক ঘেঁষে ওঠে। আবার শীতকালে দিন ছোট আর রাত বড় হয়, গরমকালে ঠিক তার উল্টো। কেন এমন হয়? এর পেছনে রয়েছে এক মজার কারণ, আর সেই কারণের সাথেই জড়িয়ে আছে রবিমার্গ…

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি বৈশিষ্ট্য আলোচনা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা কর, বাংলাদেশের ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য (Physiogaphic Characteristics of Bangladesh), পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কূলঘেঁষে। তাই ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ হলো বঙ্গখাতের এক বৃহত্তম অংশ এবং বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ। এদেশের শতকরা ২০ ভাগ পাহাড়ি এলাকা ছাড়া বাকি ৮০ ভাগই পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।এ সমভূমির ওপর দিয়ে বয়ে গেছে অসংখ্য নদ-নদী।…

পৃথিবীর পরিক্রমণ গতির ফলাফলগুলি আলোচনা করো

সংজ্ঞা: যে গতিতে পৃথিবী নিজ মেরুদণ্ডের চারদিকে আবর্তন করতে করতে একটি নির্দিষ্ট দিকে (পশ্চিম থেকে পূর্বে), একটি নির্দিষ্ট পথে (উপবৃত্তাকার কক্ষপথে) ও একটি নির্দিষ্ট সময়ে (365 দিন 5 ঘণ্টা 48 মিনিট 46 সেকেন্ড) সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, তাকে পৃথিবীর বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি (Revolution) বলে।বার্ষিক গতির ফলাফল: বার্ষিক গতির ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে- দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি হয়, ঋতুপরিবর্তন…

প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে 180° দ্রাঘিমারেখা অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক তারিখরেখাকে কল্পনা করা হয়েছে, কিন্তু কোথাও কোথাও এই রেখা বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন

আন্তর্জাতিক তারিখরেখা সর্বত্র 180° দ্রাঘিমারেখাকে অনুসরণ করেনি। মাঝে মাঝে এই রেখাটিকে বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন-উত্তর সাগরে ক্লোভ ও ভ্রাঙ্গেলিয়া দ্বীপের কাছে 11° পূর্বে বাঁকিয়ে বেরিং সাগরের ওপর দিয়ে টানা হয়েছে।অ্যালুসিয়ান দ্বীপপুঞ্জকে এড়ানোর জন্য প্রায় 7° পশ্চিমে বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে।ফিজি, টোঙ্গা, চ্যাথাম প্রভৃতি দ্বীপপুঞ্জের নিকট 11° পূর্বে বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে।কারণ : এই সকল দ্বীপ ও দ্বীপপুঞ্জের অধিবাসীদের…

180° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা ধরা হল কেন

180° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা ধরার যুক্তি হল - 180° পূর্ব ও 180° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা আসলে একটিই দ্রাঘিমারেখা। 180° রেখাটি মূল মধ্যরেখার (0°) ঠিক বিপরীতে অবস্থিত। অর্থাৎ, সময় যেখানে শুরু হয় তার বিপরীতে সময় শেষ হয়। রেখাটির প্রায় পুরো অংশই সমুদ্রের ওপর দিয়ে বিস্তৃত। 180° রেখাটি চারটি মহাদেশকে পৃথক করেছে। দেশ অপেক্ষা মহাদেশের সীমারেখা বরাবর তারিখ পরিবর্তন অনেক সুবিধাজনক। মূলমধ্যরেখার সঙ্গে…

পৃথিবীতে প্রতিপাদ স্থান দুটি সর্বদা বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে কেন

আমরা জানি, ভূপৃষ্ঠের কোনও স্থান বা বিন্দু থেকে কল্পিত ব্যাস ভূকেন্দ্র ভেদ করে সোজা বিপরীত গোলার্ধের যে প্রান্তে মিলিত হয়, তাকে প্রথম স্থান বা প্রথম বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান বলা হয়। কল্পিত প্রতিপাদ স্থানের 180° ব্যাসটি যেহেতু ভূকেন্দ্রকে ভেদ করে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে বিপরীত প্রান্তে পৌঁছায়, তাই প্রতিপাদ স্থান দুটি সর্বদা বিপরীত গোলার্ধে অবস্থিত হয়।উদাহরণ:…

ভূত্বক ও পৃথিবীর গঠন এবং পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন

পৃথিবীর গঠনআমাদের এ পৃথিবী বিশাল সৌরজগতের একটি অংশবিশেষ। লক্ষ লক্ষ সৌরজগৎ একত্রে মিলিত হয়ে সৃষ্টি করেছে ছায়াপাত। আবার লক্ষ লক্ষ গ্যালাক্সি মিলিত হয়ে গঠিত হয়েছে বিশাল বিশ্বব্রহ্মাণ্ড। যা সত্যি আমাদের ধারণার বাইরে। সৌরজগতের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ পৃথিবী সৃষ্টির প্রথম অবস্থায় ছিল একটি জ্বলন্ত বাষ্পপিণ্ড।পরবর্তীতে এ বাষ্পপিগুটি আস্তে আস্তে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে কঠিন আকার ধারণ…

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের গুরুত্ব

প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের গুরুত্ব

ভূগোলশাস্ত্রের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলো প্রাকৃতিক ভূগোল। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে আমরা পৃথিবী ও পৃথিবী সৃষ্টি, ভূঅভ্যন্তরের গঠন, স্তরবিন্যাস, শিলা ও খনিজ, আগ্নেয়গিরি, পাহাড়, পর্বত, মালভূমি, সমভূমি, নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, আবহাওয়া, জলবায়ু, মৃত্তিকা, উদ্ভিদ, প্রাণিজগৎসহ পৃথিবীর খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়। নিচে প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের গুরুত্ব সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:১. পৃথিবী…

Next