জনকল্যাণকর রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ
আধুনিক পুঁজিবাদী রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্যেই জনকল্যাণকর রাষ্ট্রের উদ্ভব। এরূপ রাষ্ট্র ব্যক্তিকল্যাণের ক্ষেয়ে কতগুলি অধিকার প্রদানের সুপারিশ করে। হবহাউস এক্ষেত্রে কতগুলি মৌল অধিকার ও নীতির উল্লেখ করেন, যথা-পৌর ও সামাজিক স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বাধীনতা, অবাধ বাণিজ্যের অধিকার, পারিবারিক স্বাধীনতা প্রভৃতি। জনকল্যাণকর রাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলি হল-
সম্পত্তির অধিকার প্রদান
জনকল্যাণকর রাষ্ট্র বাক্তিগত সম্পত্তির অবলুপ্তির কথা বলে না, বরং তারা ব্যক্তিগত সম্পত্তির অধিকারকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধিকার বলে মনে করে। কিন্তু প্রয়োজনে ব্যক্তি বা সমষ্টির স্বার্থে রাষ্ট্র সেই অধিকারকে আবার নিয়ন্ত্রণও করতে পারে।
নাগরিক হিসেবে দাবি
জনকল্যাণকর রাষ্ট্রে নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কল্যাণের বিষয়টি দাবি করে। এখানে ব্যক্তিকে রাষ্ট্র প্রজা হিসেবে নয়, নাগরিক হিসেবে দেখে থাকে। ব্যক্তি এই রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের একজন অংশীদার। এই কারণে সে রাষ্ট্রের কাছে সম্পদের পুনর্বণ্টনের দাবি করে থাকে।
মিশ্র অর্থনীতি
মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রবর্তন জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্রের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। এই ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যেমন রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ বর্তমান থাকে, তেমনই তার পাশাপাশি ব্যক্তিকেন্দ্রিক উদ্যোগও বর্তমান থাকে।







