জেন্ডার
‘জেন্ডার’ (Gneder) শব্দটির বাংলা অর্থ করা হয় ‘লিজা’। যদিও ‘লিঙ্গ’ এবং জেন্ডারের মধ্যে প্রকৃতিগত যথেই পার্থক্য রয়েছে। কারণ ‘জেন্ডার’ শব্দটির ব্যাবহারিক তাৎপর্য ও ‘স্লিল শব্দটির ব্যাবহারিক তাৎপর্য এক নয়।
জৈবিক দিক থেকে নারী ও পুরুষের মধ্যে স্পষ্ট ভেদ টানা সম্ভব হলেও এই বিভাজনের বাইরে ‘নারীত্ব’ ও ‘পৌরুষ’-এর যে ধারখাটি গড়ে ওঠে তা একটি জটিল প্রকৃতি সৃষ্টি করে। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নারী- পুরুষের যে বিভাজন বিদ্যমান তার মধ্য দিয়েই ‘জেন্ডার’-এর চিন্তাভাবনা নির্মিত হয়।
‘জেন্ডার’ শব্দটির ব্যবহারের দ্বারা নারী ও পুরুষের মধ্যে যে পৃথক পৃথক সামাজিক ও আত্মিক প্রক্রিয়া গড়ে ওঠে তাকে বোঝানোহয়। সামাজিক জীব হিসেবে মানুষের যে অধিকারবোধ, কর্তব্যবোধ, আচার-আচরণ বা রীতিনীতি ও প্রথা গড়ে ওঠে, তা এমন একটি আদর্শ সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল হিসেবে প্রকাশ পায় যেখানে নারীকে ও পুরুষকে আলাদা আলাদাভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়। এর মধ্য দিয়েই প্রকাশ পায় জেন্ডার-এর ধারণা। সিমন ডি বোভোয়া (Simone De Beauvoir) বলেছেন যে, “One is not born a woman, but becomes a woman”।







